রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:২৬
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

রাজধানীতে নারী চিকিৎসক খুন: সন্দেহ সাবলেটে থাকা মডেল কানিজের দিকে

ডেস্ক রিপোর্ট  রাজধানীর কলাবাগানে গ্রিন লাইফ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সাবিরা রহমান লিপির মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধারের ৩৫ ঘণ্টা পর গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে।

নিহত ডা. সাবিরার মামাতো ভাই রেজাউল হাসান জুয়েল বাদি হয়ে কলাবাগান থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদি ওই বাসার সাবলেটে থাকা মডেল কানিজ সুর্বণাকে সন্দেহ করেছে। কানিজ এবং এক থেকে দুইজন মিলে লিপিকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলে মামলার এজাহারে বাদি অভিযোগ করেছেন। মামলায় অন্য সাবলেটে থাকা নূরজাহানকে বাদি সন্দেহ করেননি। কারণ তিনি ঘটনার দিন ছিলেন। তিনি ঈদে গ্রামের বাড়ি গিয়ে আর আসতে পারেননি।

সূত্র জানায়, কানিজ ওয়ার্ল্ড ইউনিভারসিটি থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন। তিনি মডেলিং এর পাশাপাশি দারাজ অনলাইনে কাজ করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কানিজ লিপির ভাড়া বাসায় সাবলেটে উঠেছিলেন। তিনি এখন ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশের হেফাজতে আছেন। তবে মামলার তদন্তকারীরা জানিয়েছেন যে, ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। তবে ওই বাসায় দীর্ঘদিন থাকার কারণে ডা. লিপির বাসায় কে? যাতায়াত করতেন তিনি তা জানতেন। তবে রবিবার রাত ১০ টার দিকে লিপির কাছে কে? এসেছিলেন তা কানিজ তাকে দেখেনি বলে দাবি করেছেন। পুলিশের হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটককৃতরা এ খুনের সঙ্গে জড়িত নয় বলে বার বার দাবি করেছে। তদন্তকারীরা হত্যাকারীকে চিহ্নিত করার জন্য বাসার দরজার ফিঙ্গার প্রিন্ট সংগ্রহ করেছে। এছাড়াও ভিকটিমের বাসা থেকে ৬ বাসার পর যে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করেছিল ডিবি পুলিশ সে ফুটেজ থেকে খুনিকে চিহ্নিত করা যায়নি।

সোমবার দুপুরে কলাবাগানের ফার্স্ট লেনের ৫০/১ ভাড়া বাসা থেকে গ্রিন লাইফ হাসপাতালের কনসালটেন্ট (সনোলজিস্ট) চিকিৎসক কাজী সাবিরা রহমান লিপির (৪৮) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে ওই বাসায় আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যান। পরে ফায়ারের কর্মীরা সাবিরার শরীরে রক্তাক্ত চিহ্ন দেখে বুঝতে পারেন যে এটি একটি খুন। পরে পুলিশ গিয়ে ডা. সাবিরার লাশ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে পুলিশের কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্র বলেন, ‘থানায় ভিকটিম মামলা দায়ের করেছে। আমরা তদন্তের মাধ্যমে খুনিকে চিহ্নিতের চেষ্টা করছি।’ মামলা বাদি সাবলেটে থাকা কানিজকে কেন সন্দেহ করলো জানতে চাইলে জানান, ‘মামলার বাদী যে কাউকে সন্দেহ করতে পারে। তাই বলে এই নয় যে, তিনি খুনি। আমরা খুনিকে শনাক্তের চেষ্টা করছি।’

মামলার তদন্তকারী ও ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, লিপি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এ বিষয়টি পুলিশ নিশ্চিত হয়েই মামলার তদন্ত করছেন। থানা পুলিশসহ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রবিবার রাত ১০ টার দিকে লিপি হাসপাতালের ডিউটি শেষে বাসায় এসে কারও সঙ্গে কোনো কথা বলে নিজ শয়ন কক্ষে চলে যান। তদন্তকারীদের ধারণা যে, রাত ১০ টা থেকে রাতের যে কোন সময় তিনি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।